আর্কাইভ

চাকমাজাতির আদিনিবাস সন্ধানে-১

by | Oct 26, 2020 | আত্মকথা/ জীবনী, আদিবাসী বিষয়ক, সাহিত্য-সংস্কৃতি-ইতিহাস

লেখকঃ পুলক খীশা

আমরা চাকমারা বিশ্বাস করি আমাদের পূর্বপুরুষরা এসেছে চম্পক নগর থেকে। আমাদের এই ধারণাটা চলে আসছে বংশ পরম্পরায় – বাপ-দাদা, পূর্বপুরুষদের মুখ থেকে শুনে, আমাদের ‘গেংখুলি গীত’ নামক লোকগীতি বা পালাগানের মাধ্যমে। কিন্তু ঝামেলা হলো আমরা জানিনা কোথায় এই চম্পক নগর।
চাকমা জাতির ইতিহাস লিখতে গিয়ে চাকমাদের এই আদি বাসস্থান চম্পক নগরের সম্ভাব্য অবস্থান সম্পর্কে অনেক লেখালেখি হয়েছে কিন্তু চম্পক নগরের সঠিক অবস্থান নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। এই লেখাতে আমারও ক্ষুদ্র প্রয়াস থাকবে চাকমাদের চম্পক নগরের অবস্থান নির্ণয়ের জন্য।
তবে চম্পক নগরের অবস্থান নির্ণয়ের আগে সম্ভবতঃ বিগত কয়েক শতাব্দীর প্রমাণযোগ্য ইতিহাস নিয়ে আমরা আলোচনা করতে পারি, যা থেকে আমরা কিছুটা ইঙ্গিত পাবো যে পার্বত্য চট্টগ্রামে আসার আগে, বা পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাড়াও চাকমারা কোথায় বসবাস করতো। এর অংশ হিসেবে আমরা এখানে রামু জনপদে চাকমাদের অবস্থানের উপর আলোকপাত করবো।

রামু জনপদে চাকমারা

চাকমারা বর্তমানে মূলত চট্টগ্রামের উত্তর-পূর্বে পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটিতে বসবাস করছে। তবে তারা চট্টগ্রাম ও দক্ষিণ চট্টগ্রামে বিশেষতঃ রামু জনপদে দীর্ঘ কয়েক শতাব্দী বসবাস ও রাজত্ব করেছিল। রামু উপজেলার পটভূমিতে লেখা হয়েছে “বিশ্বখ্যাত পর্যটন নগরী কক্সবাজারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক স্থান রামু।
রামুতে আছে গৌরবোজ্জ্বল অতীত অধ্যায়ের স্মৃতিচিহ্ন। কালের পরিক্রমায় রাজা, রাজবংশ সবই গেছে। তবু ও এখানে টিকে আছে বেশ কিছু প্রত্নতাত্ত্বিক, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক স্মৃতিচিহ্ন” ; এখানে কিন্তু বলা হচ্ছেনা রামুর রাজা, রাজবংশ কারা ছিল। রামুতে বর্তমানে চাকমারা বলতে গেলে নেই, অন্ততঃপক্ষে সদর বা শহর এলাকায়, যেখানে এককালে তাদের রাজারা বসবাস ও রাজত্ব করত।
উখিয়া, টেকনাফে কিছুসংখ্যক চাকমা এখনো রয়েছে হয়তো। (যেমন ১৯৫৮ সালে তৎকালীন পাকিস্তানের সামরিক শাসনের সময় অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উখিয়ার চেনছড়িতে ফেলোরাম চাকমার বাসায় আশ্রয় নিয়েছিলেন কয়েকটা দিন
কিন্তু এই চাকমাদের দীন-দরিদ্র, শিক্ষা-দীক্ষায় পিছিয়ে পড়া অবস্থা দেখলে কেউ ঘুণাক্ষরেও কল্পনা করতে পারবেনা এককালে তাদের পূর্বপুরুষরা রামুতে রাজক্ষমতায় ছিল। তবে সেখানে জায়গার নাম, সেখানকার জনশ্রুতি এখনো চাকমাদের ইতিহাসের সাথে সামঞ্জস্যতা রেখে তাদের সেখানে বসবাস ও রাজত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। এই প্রসঙ্গে ঐতিহাসিক রামু জনপদের উপর সংযুক্ত ডকুমেন্টারীটিদেখা যেতে পারে।
 গাঁয়ের বধূ মীনা বড়ুয়ার মতে (ডকুমেন্টারীর ৯:১৫ – ৯:৪০ পর্যন্ত) বাঁকখালী নদীর দক্ষিণ পাড়ে রাজারকূল, উত্তর পাড়ে চাকমার কূল – এই দুই জনপদের সাথে জড়িয়ে রয়েছে চাকমাদের প্রথম রাজা বিজয়গিরির স্মৃতি । শুধু রাজার কূল আর চাকমার কূল ইউনিয়ন নয়, রামুতে এখনো আছে রাজার কূল ও চাকমার কূলের অনতিদূরে চাকমা রাজা ফতে খাঁর নাম অনুসারে ‘ফতে খাঁর কূল’ ইউনিয়ন (সংযুক্ত গুগুল ম্যাপে এটা দেখা যেতে পারে)।
রাঙ্গামাটিতে চাকমা রাজবাড়ির আঙিনায় এখনো রয়ে গেছে রাজার কামান ‘ফতে খাঁ’ (ছবি সংযুক্ত) ।
চাকমা রাজা ‘ফতে খাঁ’-র নাম অনুসারে নাকি কামানটা। না, চাকমারা সম্ভবতঃ অতো উন্নত জাতি ছিলোনা যে কামান বানাতে পারে। তবে সেই কামানটা নাকি যুদ্ধে মোগলদের থেকে হস্তগত করা হয়। অর্থাৎ চাকমারা বিনা প্রতিবাদে, বিনা প্রতিরোধে মোগলদের বৈশ্যতা স্বীকার করার মতো অতো দুর্বলও ছিলোনা, অন্ততঃ যুদ্ধে মোগলদের থেকে কামান ছিনিয়ে নেয়ার সক্ষমতাও তাদের ছিল।
সেই সময়েও চাকমারা দক্ষিণ চট্টগ্রামে – রামু, কক্সবাজার, টেকনাফে বসবাস ও রাজত্ব করত। এমনকি ১৬৬৬ খ্রীস্টাব্দে চট্টগ্রামের যুদ্ধে মোগল, ডাচ, পর্তুগীজদের সমন্বিত বাহিনীর কাছে আরাকান রাজা চন্দ্র সুধর্ম (সন্দা থুধম্ম) পরাজিত হলে এবং চাদিগাং বা চট্টগ্রাম মোগল সাম্রাজ্যভুক্ত হলেও চাকমা রাজা ধরম্যা স্বাধীনভাবেই ছিলেন এবং পরবর্তীতে মোগলদের সাথে চাকমাদের বরং সখ্যতা হয়।
১৭১৫ খ্রীস্টাব্দে রাজা ফতে খাঁর সাথে মোগলদের বাণিজ্য চুক্তিই তার প্রত্যক্ষ নিদর্শন (স্বর্গীয় বিরাজ মোহন দেওয়ান প্রণীত “চাকমা জাতির ইতিবৃত্ত” পৃঃ ১০৪-১০৫)। এই সখ্যতার কারণে সম্ভবতঃ রাজা ধরম্যা এক মোগল রমণীর পাণি গ্রহণ করেন এবং তাঁর গর্ভে যে রাজপুত্র জন্মগ্রহণ করেন তাকে চাকমারা ‘মোগল্যা’ নামে অভিহিত করে।
মোগল রমণীর বংশজাত হওয়ার কারণেই হয়তো পরবর্তী চাকমা রাজারা খাঁ উপাধি গ্রহণ করেন। যেমন মোগল্যার দুই পুত্রের নাম ছিল যথাক্রমে সুভল খাঁ ও ফতে খাঁ। তাঁদের সেনাপতির নাম কালু খাঁ। রাজা সুভল খাঁ (১৭১২) থেকে রাজা ধরমবক্স খাঁ (১৮৮২) পর্যন্ত চাকমা রাজারা খাঁ উপাধি ধারণ করেন।
শুধু রাজারা নয়, চাকমাদের মধ্যে অনেক গোত্র-প্রধানও খাঁ উপাধি ব্যবহার করতেন (যেমন আমার নিজের পূর্বপুরুষদের যে বংশ তালিকা আমার হস্তগত হয়েছে তাতে ‘মাখ খাঁ’ নামে এক পূর্বপুরুষের নাম উল্লেখ আছে)। রাজা সুভল খাঁ মাত্র তিন বছর শাসন করে মারা গেলে তার ছোট ভাই ফতে খাঁ রাজা হন।
মোগলদের সাথে বাণিজ্যচুক্তি, মোগলদের থেকে হস্তগত করা কামান, তাঁর নামে অদ্যাবধি ‘ফতে খাঁর কূল’ নামে সম্পূর্ণ এক ইউনিয়নের নামকরণ ইত্যাদি থেকে মনে হয় যে রাজা ফতে খাঁ বেশ প্রভাবশালী ছিলেন। এখানে চাকমাদের জায়গার নামকরণে ‘কূল’ এবং বিশেষতঃ রাজার কূল শব্দটি বিশেষভাবে লক্ষ্যনীয়।
চাকমাভাষায় কোন এক বৃহৎ এলাকা, উপত্যকা বুঝাতে এখনো ‘কূল’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়। যেমন – চেঙ্গী (চেঙে) নদীর অববাহিকা বুঝাতে ‘চেঙে কূল বা চেঙ্গী কূল’ ব্যবহৃত হয়, মাইনী (মেগিনি) নদীর অববাহিকা বুঝাতে ‘মেগিনি কূল’ বলা হয়। অনুরূপ ভাবে কাজলং কূল, লোগাং কূল, পুজগাং কূল ইত্যাদি।
রাঙ্গামাটির অধিবাসী বুঝাতে রাঙামাত্যা কুল্যা, খাগড়াছড়ির অধিবাসী বুঝাতে খাগড়াছড়ি কুল্যা বলা হয়। অনুরূপভাবে ব্যবহৃত হয় – ঢাকা কুল্যা, কুমিল্লা কুল্যা ইত্যাদি। ‘রাজার কূল’ বলতে রাজার বসবাস করা এলাকাকে বুঝায়। যেমন ভারতের মিজোরাম বা লুসাই হিলে বসবাসকারী চাকমারা বর্তমানে রাঙ্গামাটির চাকমাদের ‘রাজ-কূল্যা’ বা রাজার কূলের চাকমা হিসেবে অভিহিত করেন, নিজেদের বলেন লুসাই হিল্যা।
রাজা ফতে খাঁ ১৭১৫ থেকে ১৭৩৭ খ্রীস্টাব্দ পর্যন্ত রাজত্ব করেন। রামুতে রাজারকূল, চাকমারকূল, ফতেখাঁরকুল জায়গার নামকরণ থেকে প্রতীয়মান হয় যে এসব এলাকা ঐ সময়ে তাদের শাসনাধীনে ছিল। রামুতে চাকমারা বলতে গেলে এখন আর নেই এবং থাকলেও নগণ্যসংখ্যক, কিন্তু তদসত্বেও সেখানে, কক্সবাজারে ও তার আশে পাশে এলাকায় অনেক জায়গা রয়েছে যেগুলোর নামের সাথে পার্বত্য চট্টগ্রামে চাকমাদের গ্রাম, এলাকার মিল রয়েছে।
যেমন ধলিরছড়া, কালিছড়া, পানিরছড়া, বরইছড়া, বনিয়া ছড়া, ধওয়াপালং ছড়া, হাদরা ছড়া, ধালির ছড়া, বাহার ছড়া, হাদুর ছড়া, দোচারি ছড়া, মনিয়া ছড়া, হারবাং ছড়া, জুমছড়ি, দোছড়ি, জাংছড়ি, ফুলছড়ি, নাক্ষ্যংছড়ি, সোনাইছড়ি, হিমছড়ি, চেংছড়ি, নুনছড়ি, জয়ছড়ি, মিঠাছড়ি, করল্যাছড়ি, থিমছড়ি, নোনাছড়ি, পানছড়ি, কোয়াংছড়ি, ঘিলাতলী, কলাতলী, তুলাতলী, সিবাতলী, পাহাড়তলী, বেলতলী, জারইলতলী (জারুলতলী?), বাথতলী, শ্রীমুরা, ফকিরামুরা, চৌচুলা মুরা, করলিয়া (করল্যা?) মুরা, বালুখালী, বাঁকখালী, রাজাখালী, মনাখালী, উলটাখালী, ভারুয়াখালী, নাপিতখালী, ফাস্যাখালী, মহেশখালী, উমখালী, খনাখালী, নন্দাখালী, উখিয়ার ঘোনা, খেংচরঘোনা, কালুয়ারঘোনা, আসমারঘোনা, হাউরিঘোনা, থোলিয়াঘোনা, খেনচুর ঘোনা, লাফার ঘোনা, পানিস্যা ঘোনা, জিরানিখোলা, কাচিরখোলা, হরিতলা, মুরাপাড়া, আলিখখ্যং, হোয়াইখ্যং, জওয়ারিয়া নালা, মরিচ্যা (মারিশ্যা?), বেতবুনিয়া, কাটাবনিয়া, কচুবনিয়া, আছারবনিয়া, মেরং(মেরুং?)লোয়া, চাকমারকাটা ইত্যাদি।
সবচেয়ে বিস্ময়কর হলো টেকনাফের দক্ষিণে সাগরপাড়ে ‘সাবরাং’ নামে একটা ইউনিয়ন রয়েছে যা একান্তই চাকমাদের ব্যবহৃত একটি মশলা গাছের নাম অনুসারে। এটা টেকনাফ তথা বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ ইউনিয়ন  সাবরাং (Lemon Basil) চাকমাদের রান্নায় নিত্য ব্যবহৃত একটি মশলা পাতা যা পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়িদের ঘরে ঘরে চাষ হয়। অথচ সমতলে এর ব্যবহার খুব একটা দেখিনি (অতি সম্প্রতি ঢাকায় সবজি বাজারে বেশ চড়া দামে একটু-আধটু বিক্রি হচ্ছে বলে আমি লক্ষ্য করেছি)।
বৃটিশরা অষ্টাদশ শতকে যখন ভারতবর্ষে রাজত্বের সূচনা করে তখন কোলকাতা ছিল একটা গ্রাম। ঢাকার ইতিহাসও খুব বেশি প্রাচীন নয়। কিন্তু ঐতিহাসিক রামু জনপদের উপর নির্মিত সংযুক্ত ডকুমেন্টারীর মতে রামু ঠাঁই পেয়েছে ১৮৫৮ বছর আগে গ্রীক ভুগোলবিদ টলেমীর ভুগোল গ্রন্থে।
চীনা পরিব্রাজক ফাহিয়েন এর ভ্রমণ-বৃত্তান্ত যদি সঠিক হয়ে থাকে তবে মহামানব গৌতমবুদ্ধ হয়তো তাঁর জীবদ্দশায় স্বশরীরে এসেছিলেন এই রামু জনপদে অথবা তিনি না এলেও তাঁর মহাপরিনির্বাণের পরে এখানে আনা হয়েছিল তাঁর বক্ষাস্থির অংশবিশেষ।
গৌতমবুদ্ধের এই স্মৃতিকে ধারণ করার জন্য পরবর্তীতে মহান সম্রাট অশোক তাঁর ৮৪ হাজার ধাতুচৈত্যের একটি নির্মাণ করেছিলেন এখানে, যা এখনো বিদ্যমান রয়েছে। মহামানব বুদ্ধ ও সম্রাট অশোকের স্মৃতিবিজড়িত এমন স্বনামধন্য এক জনপদে চাকমারা রাজত্ব ও বসবাস করত ভাবতে নিজেকে নিঃসন্দেহে অনেক গৌরবান্বিত বোধ হয়। চাকমারা নিজেদের শাক্যবংশীয় হিসেবে দাবি করে।
প্রশ্ন জাগে শাক্যবংশীয় হিসেবে চাকমারাই কি তাহলে রামু জনপদে নিয়ে এসেছিল নিজেদের পরমাত্মীয় শাক্যমুনি গৌতমবুদ্ধের বক্ষাস্থির অংশবিশেষ? রামু জনপদে বসবাসকে ভিত্তি করে চাকমাদের ইতিহাস, ধর্ম, ভাষা, সংস্কৃতি ইত্যাদির উপর বেশ কিছু জটিল প্রশ্নের উত্তর দেয়া যেতে পারে, যা আমরা পরবর্তীতে আলাপ করবো।
(চলবে)

পপুলার পোস্ট

Related Post

ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম আদিবাসী ভারতীয় রাষ্ট্রদূত মিঃ মুকুর কান্তি খীসার সংক্ষিপ্ত জীবনী

ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম আদিবাসী ভারতীয় রাষ্ট্রদূত মিঃ মুকুর কান্তি খীসার সংক্ষিপ্ত জীবনী

লেখকঃ ধীমান খীসা শ্রী মুকুর কান্তি খীসা (Mukur Kanti Khisha) ১৯৩৫ সালের ২৭শে নভেম্বর বর্তমান খাগড়াছড়ি উপজেলাধীন খবংপুজ্যা (খবংপড়িয়া) গ্রামের এক...

প্রিয় বিপ্লবী ভ্রাতা মিঠুন চাকমাকে স্মরণ করছি

প্রিয় বিপ্লবী ভ্রাতা মিঠুন চাকমাকে স্মরণ করছি

লেখকঃ ধীমান ওয়াংঝা সদ্য স্বাগত ইংরেজি নববর্ষ ২০২১ এর ৩ জানুয়ারি তারিখটি জুমপাহাড়ের এক মেধাবী তরুণ বিপ্লবী শ্রী মিঠুন চাকমার ৩য় প্রয়াণ বার্ষিকী। এই...

পর্যটনের আড়ালে সাজেকের কান্না : দুর্ভোগে জনতা

পর্যটনের আড়ালে সাজেকের কান্না : দুর্ভোগে জনতা

সংযুক্ত পেইন্টিংঃ শিল্পী তুফান রুচ সাজেক একটি ইউনিয়নের নাম যা বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ইউনিয়ন; যেটি দেশের বৃহত্তম জেলা রাঙামাটি এবং বাঘাইছড়ি উপজেলার...

0 Comments

Submit a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *